Home শিক্ষা সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজে ভর্তির চূড়ান্ত তালিকায় ছয় ছেলে নাম।
শিক্ষা - 2 weeks ago

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজে ভর্তির চূড়ান্ত তালিকায় ছয় ছেলে নাম।

ডেস্ক সংবাদঃ

টাঙ্গাইলের সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তির চূড়ান্ত তালিকায় ছয় ছেলে শিক্ষার্থীর নাম দেখানো হয়েছে। তারা হলেন- আবদুল আলীম, মো. সজল হোসেন, ফরহাদ আলম, মো. রাসেল হোসাইন, মো. হৃদয় খান ও সেলিম মাহমুদ। গত ২ জানুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মহিলা কলেজে ভর্তির তালিকায় নাম আসা ছয় ছেলে শিক্ষার্থীর দাবি, তারা যথাযথ নিয়ম মেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ফরম পূরণ করেছিলেন।

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়ার জন্য গত ১১ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সময় বেঁধে দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ওই ছয় শিক্ষার্থী সরকারি সাদত কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য অনলাইনে ফরম পূরণ করে। মেধারভিত্তিতে সরকারি সাদত কলেজের কোটা পূরণ হওয়ায় তারা ওই কলেজে ভর্তির সুযোগ পায়নি। এদিকে সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের ৫০ আসনের বিপরীতে মাত্র নয়জন মেয়ে শিক্ষার্থী প্রথম দফায় ভর্তি হন। আরও  ৪১ আসন শূন্য থাকে। 

দ্বিতীয় দফায় শূন্য আসন পূরণের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গত ১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিলিজ স্লিপে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দেয়। তখন প্রথমবার ভর্তির সুযোগ না পাওয়া ওই ছয় ছেলে শিক্ষার্থী রিলিজ স্লিপে ভর্তি হওয়ার জন্য সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজসহ আরও দুটি কলেজকে চয়েজ দিয়ে অনলাইনে ফরম পূরণ করেন। ২ জানুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজে শূন্য ৪১ আসনে ৪১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য যোগ্য বলে দেখানো হয়। এই তালিকায় ছয়জন ছেলের নাম দেখে বিব্রত হয়ে পড়েন মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকেরা।

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক রমজান আলী জানান, ‘ভর্তির চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকা কয়েকজন ছেলে শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে ভর্তি হওয়ার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। পরে তারা ভর্তি হওয়ার সুযোগ না পেয়ে লজ্জা পেয়ে চলে যান।’

রাসেল হোসাইন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ত্রুটির কারণে আমরা এক বছর পিছিয়ে যাচ্ছি। কারণ, অনলাইনে আবেদনের সময় মহিলা কলেজের নামে ক্লিক করার পর আমাদের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু ওয়েবসাইটে ওই ধরনের ব্যবস্থা থাকলে আমাদের আবেদন গ্রহণ হতো না। ফলে আমরা হয়তো অন্য কলেজে ভর্তি হতে পারতাম। ওই ছয় শিক্ষার্থী দ্বিতীয়বার রিলিজের মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।’

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এসএম জাকির হোসাইন জানান, ওই ছয় ছেলে শিক্ষার্থীর কোনোভাবেই মহিলা কলেজে ভর্তির সুযোগ নেই। এমনকি তারা এবার অন্য কলেজেও ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এক্ষেত্রে ভর্তির জন্য আগামী বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুরের মাস্টার্স শ্রেণির ভর্তির নিবন্ধন কমিটির সচিব সহযোগী অধ্যাপক আলী জাফর চৌধুরী বলেন, ওই ছয় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদনে ভুল করেছেন। তারা মহিলা কলেজ চয়েজ দিয়েছেন। হয়তো তারা বুঝতে পারেননি। এখনো দ্বিতীয় রিলিজ স্লিপে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত না হলে ওই ছয় শিক্ষার্থীকে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

মেসি দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলে জিতল বার্সেলোনা।

খেলা ডেস্কঃ কাম্প নউয়ে রোববার রাতে লা লিগায় গ্রানাদাকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। পু…